বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে স্বামী নিয়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়া, অভিনয় করলেও আউটডোরে না যাওয়া, এমনকি রাগ করে শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে নেয়া বিভিন্ন মতের পুরোটাই পাল্টে ফেলেছেন সুন্দরী নায়িকা পূর্ণিমা। অবশ্য মত পাল্টে কেবল বসেই থাকেননি তিনি, পুরোদমে কাজও শুরু করেছেন। তাও আবার শাকিব খানেরই সঙ্গে। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত 'এই মন চায় তোমাকে' দিয়ে শাকিব-পূর্ণিমা নতুন করে পথ চলতে শুরু করেছেন। এর আগে সাংবাদিক পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত 'আই লাভ ইউ' ছবির মাধ্যমে জমে থাকা ঝড়টা কাটিয়ে ওঠেন শাকিব-পূর্ণিমা দু'জনেই। পূর্ণিমা তার ঘনিষ্ঠজনদের কাছে বলেছেন, দেশ ছেড়ে যাওয়া কিংবা শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয় না করার কোন সিদ্ধান্ত কখনোই আমি নেইনি। একটি কুচক্রী মহল, অন্য নায়িকা ও ক'জন এজেন্ট মনগড়া এসব কথা ছড়িয়ে বেড়িয়েছে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য। পূবাইলে কোন ঘটনা না ঘটলেও বাড়াবাড়িটা করেছে সেই চক্রটি। এমনকি আমার বিয়ের পর গুলশানে ফ্ল্যাট কেনা, আমেরিকায় চলে যাওয়া এসব কথা তারাই ছড়িয়ে মূলত আমাকে চলচ্চিত্র থেকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করেছে। তাদের ওইসব অপচেষ্টাকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্যই আমি আবার নতুন করে শুরু করেছি। আমার বিশ্বাস, দুষ্টজনের কথায় চলচ্চিত্র শিল্প আর বিভ্রান্ত হবে না। পূর্ণিমা তার সেই ঘনিষ্ঠজনকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি নিয়মিত কাজ করবেন এবং বিদেশে স্থায়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনাই তার নেই।
Showing posts with label পূর্ণিমা. Show all posts
Showing posts with label পূর্ণিমা. Show all posts
পূর্ণিমা মত পাল্টালেন
বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে স্বামী নিয়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়া, অভিনয় করলেও আউটডোরে না যাওয়া, এমনকি রাগ করে শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে নেয়া বিভিন্ন মতের পুরোটাই পাল্টে ফেলেছেন সুন্দরী নায়িকা পূর্ণিমা। অবশ্য মত পাল্টে কেবল বসেই থাকেননি তিনি, পুরোদমে কাজও শুরু করেছেন। তাও আবার শাকিব খানেরই সঙ্গে। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত 'এই মন চায় তোমাকে' দিয়ে শাকিব-পূর্ণিমা নতুন করে পথ চলতে শুরু করেছেন। এর আগে সাংবাদিক পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত 'আই লাভ ইউ' ছবির মাধ্যমে জমে থাকা ঝড়টা কাটিয়ে ওঠেন শাকিব-পূর্ণিমা দু'জনেই। পূর্ণিমা তার ঘনিষ্ঠজনদের কাছে বলেছেন, দেশ ছেড়ে যাওয়া কিংবা শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয় না করার কোন সিদ্ধান্ত কখনোই আমি নেইনি। একটি কুচক্রী মহল, অন্য নায়িকা ও ক'জন এজেন্ট মনগড়া এসব কথা ছড়িয়ে বেড়িয়েছে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য। পূবাইলে কোন ঘটনা না ঘটলেও বাড়াবাড়িটা করেছে সেই চক্রটি। এমনকি আমার বিয়ের পর গুলশানে ফ্ল্যাট কেনা, আমেরিকায় চলে যাওয়া এসব কথা তারাই ছড়িয়ে মূলত আমাকে চলচ্চিত্র থেকে বিতাড়িত করার চেষ্টা করেছে। তাদের ওইসব অপচেষ্টাকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্যই আমি আবার নতুন করে শুরু করেছি। আমার বিশ্বাস, দুষ্টজনের কথায় চলচ্চিত্র শিল্প আর বিভ্রান্ত হবে না। পূর্ণিমা তার সেই ঘনিষ্ঠজনকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি নিয়মিত কাজ করবেন এবং বিদেশে স্থায়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনাই তার নেই।পূর্ণিমাকে মধ্যরাতে ফোন করেছিল কে?
কোন ঘটনা না ঘটার পরও শাকিব-পূর্ণিমাকে নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পে তুলকালাম কাণ্ড ঘটার নেপথ্যে কাজ করেছিল একটি টেলিফোন। গত ২৮শে মার্চ পূর্ণিমা যখন রাত সাড়ে ১১টায় পূবাইলের সায়রাকান্ট্রি ক্লাব থেকে শুটিং শেষ করে হাসিমুখেই চলে আসেন তখন পর্যন্ত কোন ঘটনাই ঘটেনি। ওইদিন ছিল শাকিব খানের জন্মদিন। পূর্ণিমা চলে আসার পর আরও ১৫ মিনিট শাকিব খান এবং কাজী হায়াৎ শুটিং করেন। তারপর কাটা হয় জন্মদিনের কেক। পরদিন সকাল থেকে যে অপপ্রচার শুরু হয় তার নেপথ্যে কাজ করেছে একটি টেলিফোন। শাকিবের সহকারী পরিচয় দিয়ে মধ্যরাতে ফোন করে পূর্ণিমাকে অনেক আজে-বাজে কথা বলেন কোন একজন। শাকিবের কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্যও চাপ দেন। পূর্ণিমা এত রাতে ফোন করার জন্য বিরক্ত হন এবং ছবির কাজ করবেন না বলে তখনই ফোন করে জানিয়ে দেন পরিচালক বদিউল আলম খোকনকে। পূর্ণিমা তার ঘনিষ্ঠ একজন পরিচালকের কাছে স্বীকার করেছেন ফোনের ঘটনাটা। তবে কে ফোন করেছে তার নাম বলেননি, এমনকি ফোন নম্বরটিও দেননি। এটা শোনার পর পূর্ণিমার সব ঘনিষ্ঠজনের একটাই প্রশ্ন, ফোন করেছিল কে? সেদিন পূবাইলে শাকিবের কোন সহকারী উপস্থিত ছিলেন না। তাহলে পূর্ণিমা-শাকিবের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি, সম্পর্ক নষ্ট, কিংবা নতুন জুটি গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করলো কে? এক্ষেত্রে কি কারও ইন্ধন ছিল? শাকিব-পূর্ণিমা জুটি না হলে লাভবান হবেন কে? যে ফোন ধরেছেন তার প্রকৃত পরিচয় কি? এসব কিছু উদ্ধার করতে পারলেই সকল প্রশ্নের উত্তরটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে চলচ্চিত্র বোদ্ধারা মন্তব্য করেছেন।
Subscribe to:
Comments (Atom)